Fiverr Success কম্পিলিট গাইডলাইন ও সমাধান

Fiverr Success Course

ফাইবার মার্কেটপ্লেস নিয়ে আপনাদের যত প্রশ্ন রয়েছে তার সমাধান নিয়ে আজ লিখছি ।

GIG :

অ্যাকাউন্ট করার পর ভাল মত গিগ সাজাবেন, ৩টা পিক যেহেতু দিবেন, তাই সুন্দর করে পিক(গিগ ইমেজ) দিবেন, যেটা কভার পিক থাকবে সেটা জেনো সুন্দর হয়, এমন কালার ইউজ করবেন জেনো গিগে ফুটে উঠে।

ডেসক্রিপশন

গিগের ডেসক্রিপশন সব সময় ইউনিক করে দেয়ার চেষ্টা করবেন, অন্যরা কিভাবে গিগ সাজাইছে সেটা আগে দেখুন, ওদের থেকে কপি করার দরকার নাই, আপনি নিজের মত করে লেখুন, তবে অন্যদের সাথে কিছু টা মিলে গেলে ও সমস্যা নাই ।

যেমনঃ

– 100% money back guarantee

– 100% satisfaction

এই গুলা প্রায় সবার ই এক হয়ে যায়, সো প্রব্লেম নাই, কিন্তু বাকি ডেসক্রিপশন গুলা নিজের মত করে ইউনিক করে লিখেন।

 গিগ টাইটেল

গিগ টাইটেল ইউনিক রাখার চেষ্টা করবেন, বেশি বড় টাইটেল না রেখে সর্ট টাইটেল রাখবেন

.

কি-ওয়ার্ডস

যেহেতু ৫টা কি-ওয়ার্ডস আপনি দিতে পারবেন, সো আপনি যেই রিলেটেড কাজ করেন সেগুলার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কি-ওয়ার্ডস গুলা দেন।

কয়েকমাস হলো গিগের মদ্ধে একটা পরিবর্তন এনেছে, যেটা আগে ছিল না সেটা হচ্ছে গিগ পারপাস, নিন্মে কয়েকটা ক্যাটাগরির গিগ পারপাস একত্রে দেয়া হলোঃ—-

  • – Promotional
  • – Corporate
  • – Music & Concerts
  • – Restaurant
  • – Bar
  • – Spa & Beauty
  • – Movies
  • – Media Kit
  • – Real Estate
  • – Travel
  • – Medical
  • – Academic

চেষ্টা করেন স্পেসিফিক কিছু নিয়ে কাজ করার, কারন প্রত্যেকটা ক্যাটাগরির কাজ আছে।

তবে এখানে কথা আছে, এগুলা ছাড়া ও কিন্তু গিগ উপ্রে উঠে, আমি জাস্ট বললাম স্পেসিফিক কিছু নিয়া করতে, সব গিগ ই উঠে, আপ্নারা ভেবে চিনতে গিগ করবেন যেটা ভাল মনে হয়।

এক্সামপলঃ যাদের স্পা রিলেটেড কাজ দরকার তারা প্রথমে স্পা flyer/brochure/poster etc etc লিখেই সার্চ করবে ( এটা আমার পার্সোনাল মতামত, আপ্নারা চাইলে আপনাদের ইচ্ছে মত করতে পারেন)

গ্রাফিক্স, ওয়েব, যে যেই রিলেটেড কাজ করেন, স্পেসিফিক কিছু করেন, সব কিছুর ই কাজ আছে ।

.

বায়ার রিকুয়েস্ট

অ্যাকাউন্ট করলেন + গিগ করলেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন্না, হতাস হয়ে যাচ্ছেন, ভাই অ্যাকাউন্ট করলেই কাজ পাওয়া যায়না, আপনাকে শুরুতে বায়ার রিকুয়েস্ট সেন্ড করতে হবে (ভাগ্য ভাল হলে অনেকে কিছু দিনের মধ্যেই অনেকে পেয়ে যায়)

প্রতিদিন আপনি ১০টা রিকুয়েস্ট সেন্ড করতে পারবেন, এই ১০ টা বায়ার রিকুয়েস্ট আপনি প্রতিদিন কিছু সময়ে ভাগ ভাগ করে সেন্ড করবেন ।

– দুপুরে ২.৩০-৪ টার দিকে চেক করবেন

– সন্ধার পর ৬/৭ টার

– রাত ১০- ১২টার পর

এই সময়ে বায়ার রিকুয়েস্ট বেশি থাকে, বায়ার রিকুয়েস্ট বেশি দেখলে ১০ টা একবারে শেষ করবেন্ননা, কয়েকবারে ১০ টা সেন্ড করবেন (আমি যখন ফাইভারে কাজ শুরু করেছিলাম এভাবে কাজ করতাম)

.

 বায়ার রিকুয়েস্টে কি লিখবেনঃ

আমরা সবাই এক ই কভার লেটার(মানে আপনি জবে বিড করার সময় যেটা লিখেন) কপি করে মেরে দেই, কোন বড় ভাই/কেউ একটা কভার লেটার দিলো ওইটাই সেন্ড করে দেই, এইরকম কেউ করবেন্না, বায়ার কি চাইছে সেটা দেখুন, বেশি বড় ডেসক্রিপশন না লিখে শর্ট করে লেখুন, যতটুকু দরকার ততটুকু লেখেন

নোটঃ যারা নতুন অ্যাকাউন্ট + নতুন গিগ করেছেন তাদের বায়ার রিকুয়েস্ট অপশনে শুরুতে কিছুদিন বায়ার রিকুয়েস্ট একদম ই থাকেনা, অনেকে হতাস হয়ে পোস্ট দেন “বায়ার রিকুয়েস্ট নাই” , শুরুতে এমন ই হয়, কিছু দিন পরে ঠিক হয়ে যায়, সুতরাং টেনশন করবেন্না

.

ভাই বায়ার রিকুয়েস্ট আসেনা

আমি বলব গিগ ২/৩ টা না করে শুরুতে যেহেতু ৭ টা গিগ করা যায় তাই আপনি ৬/৭টা গিগ ই করেন।

 

 বায়ার

নতুনদের খুজে খুজে ইন্ডীয়ান/পাকিস্তানী বায়ার রা নক করে বেশি(যারা পুরাতন ওদের ও করে) , কারন নতুনদের দিয়ে অনেক কাজ করানো যায়, এদেশি বায়ার গুলা কাজ করিয়ে নিয়ে পরে রিফান্ড নেয়, অনেক ঝামেলার, সবাই জানেন ওরা কেমন, ওদের কাজ না করাই ভাল, কিছু হলে আপনি সাপোর্টে কথা বলার আগে ওরাই সাপোর্টে কথা বলে ফেলে, তখন আপনার কাজ ও গেলো + আপনার সময় গেলো, আবার ওয়ার্নিং ও খাবেন আপনি। মনে রাখবেন আপনার চেয়ে ফাইভার বায়ারদের মূল্য দেয় বেশি, সো অদের থেকে দূরে থাকেন ।

নোটঃ সবাই যে খারাপ সেটা না, আমি ও অদের কাজ করছি ভাল বায়ার পাইছি, তবে বাঁশের পরিমান বেশি ছিল, কাজ করিয়ে মানিব্যাক নেয়, মেক্সিমাম ই এমন করে ।

আবার, কিছু ক্লায়েন্ট বড় লম্বা মেসেজ দিবে, ওদের সাথে কাজ করার জন্য, আপনাকে ইমেইল দিবে, আপনাকে স্কাইপ দিবে, ওদের ইগ্নোর করবেন, ওরা স্পামার, আপনি এইসব মেসে পাওয়ায় কিছুক্ষণ পর দেখবেন ফাইভার ওদের আইডি খেয়ে দিছে ।

.

অনেক ভাল বায়ার কাজ করিয়ে নেয়ার আপনার ইমেইল বা স্কাইপ চাইবে, কিন্তু আপনি ভুল করে ও দিবেন্না, ফাইভার ধরতে পারলে আপনার আইডি শেষ, যদি কোন উপায়ে আপনি দিতে পারেন তাহলে ত বেশ! তবে সাবধান, আর ক্লায়েন্ট যদি ইমেইল/স্কাইপ দেয় দেয় আপনি চাইলে উনাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তবে বলে দিয়েন আপানাদের যে ইমেইল বা স্কাইপে কথা হইছে সেটা জেনো ভবিষ্যতে ফাইভারে ম্যানসন না করে ।

 ব্রডব্রান্ড / আইপি / ওয়াইফাই

অনেকে পোস্ট দেন

আমি কি এক ই আইপি দিয়ে ৩-৪ টা অ্যাকাউন্ট চালাতে পারবো?

– না আপনি পারবেন্না

(অনেকে আবার বলে পারবেন, অরা ক্যামনে করে জানা নাই আমার, ভাই যদি আপনি অ্যাকাউন্ট করতে পারেন ২টা, তাহলে আপনি ৫০০ টাকার জন্য কেন রিস্কে যাবেন, ৫০০ টাকা হলে নতুন লাইন নেয়া যায়, মোট কথা রিস্কে না যেয়ে একটা নেট লাইন দিয়ে একটা আইডি ইউজ করেন)

অনেকে আবার বলেন, আমি কি ফাইভারের সাথে সাথে অন্য মার্কেটপ্লেসে ও এক ই আইপি দিয়ে কাজ করতে পারবো ?

= জী হা পারবেন

.

 রিয়েল আইপি না সেয়ার আইপি ইউজ করবো ?

৩-৪ এম্বির লাইন গুলা আপানাকে বা আমাকে যারা ৫০০ টাকায় যারা দিয়ে বলে এটা রিয়েল আইপি, ওরা নাম্বার ওয়ান বাটপার, রিয়েল আইপি আপনি ১ এম্বি নিতে গেলে মিনিমাম ১০০০ টাকার বেশি লাগে, কথা হচ্ছে আপনি ৫০০ টাকার ঐসব লাইন নিয়ে ও কাজ করতে পারবেন, কোন সমস্যা হবেনা ( এক্সাম্পল দেয়ার জন্য ৫০০ টাকা বললাম, এলাকা বেধে ৫০০/৬০০+ ও হয়ে থাকে)

.

 ইউজার নেইম কি চেইঞ্জ করতে পারবো ?

জী না! পারবেনা

.

.

👉👉👉👉 গিগ এডিট

গিগ এডিট নিয়ে কিছু কথাঃ——-

ধরেন আপনার গিগ প্রথম পেইজে আছে, আজ থেকে প্রায় ৩/৪ বছর আগে গিগ এডিট করলে দেখা জেত আপনার গিগি ৪-৬ ঘণ্টার জন্য সরে জেত, পরে গিগ আগের অবস্থা ফিরে আসতো, অনেক সময় আবার কিছুই হইতোনা, সেইম জায়গায় ই থাকতো, আপনি টাইটেল চেইঞ্জ করেন আর প্রাইজ চেইঞ্জ করেন, মানে যাই চেইঞ্জ করেন জা জা বল্লাম এইগুলা হত, এখন বা লাস্ট ১ থেকে দের বছর ধরে ফাইভার অনেক আপডেট এনেছে, কিছু টেস্ট করছিলাম….

✍️ আপনার গিগ প্রথম পেইজে আছে কিন্তু আপনার গিগের প্রাইজ কম, গিগে অনেক অর্ডার পরতেছে, আপনার ত ইচ্ছে করতেছে প্রাইজ বারাইয়্যা দেয়, অনেকে হুট হাট করে গিগ এডিট করে দেয়, তখন দেখা যায় গিগ পুরাই খুজেই পাওয়া যায়না বা অনেক ৫ বা ১ নাম্বার পেইজে চলে যায় ।

এক পরচিত ভাই সে ভাল অর্ডার পারচ্ছিল, ত হঠাৎ তার  গ্রামের বাসায় যাওয়া লাগবে, তাই সে ডেলিভারি টাইম অনেক বারাই দিছে, শুধু এটার জন্য তার গিগ পুরাই ডাউন, এমন আরো কিছু টেস্ট করছিলাম ।

.

✍️ আপনি যদি টাইটেল ও চেইঞ্জ করেন তাহলে ও দেখা যায় গিগ দূরে চলে যায়, আপনি যদি প্রাইজ চেইঞ্জ করেন বা ডেলিভারি টাইম ও যদি বারান বা করাম তাহলে ও দেখা যায় অনেক দূরে চলে যায় গিগ (এখানে কথা আছে অনেক সময় যায় আবার থাকে, তবে ৯০% ক্ষেত্রেই গিগ দূরে চলে যায়)

.

তাহলে সমাধান কি ? 

আমি জেভাবে টেস্ট করি সেটাই বলিঃ—-

ধরেন আপনার গিগে অনেক অর্ডার পরতেছে, ৫-১০ বা তার বেশি পেন্ডিং আছে + তার আগে থেকে আমি প্রতিদিন বা ১ দিন পর পর ৫/৭ টা ভাল রিভিউ পাইছেন, বা তার বেশি রিভিউ পাইছে, আপনি এই সময়ে চাইলে চেইঞ্জ করতে পারেন, দেখা যাবে গিগ যদি হালকা নিচে নামে ও তাহলে ও আপনার জেই পেন্ডিং অর্ডার আছে, জেগুলার রিভিউ পেলে আবার উঠে যায় ।

.

গিগের প্রাইজ কম হলে বেশি অর্ডার আসবে নাকি বেশি হলে?

অনেকে বলে গিগের প্রাইজ কম হলে কাজ বেশি আসে, এটার আমি আমি ১০০% দ্বিমত পোষণ করি, প্রাইজ কিছুনা, গিগ বেশি প্রাইজ হলেও কাজ আসবে, কম হলে ও আসে, যদি আপনার গিগ ভাল পজিসনে থাকে বা সার্চ করলে পাওয়া যায়(এটা নিয়ে বেশি কিছু নাই বলি, অনেক রকম ব্যাখ্যা দেয়া যাবে, তাই বেশি লিখলাম না, সময় নষ্ট) ।

এটা বলার কারন হল ফাইভারের গিগ এডিট নিয়ে জা জা বলছিলাম, এখন ফাইভারের জা অবস্থা গিগ খুব একটা এডিট না করাই ভাল, অনেকেই গিগ এডিট করে প্রব্লেমে পরছে, গিগ করার সময় মোটামুটি ভাল একটা প্রাইজ দিয়া দিবেন, জেন গিগ ভাল অবস্থা থাকলে + অর্ডার বেশি আসলে ও গিগ জেন এডিট না করা লাগে (আপনার ইচ্ছে, আমি আমার মত করে বলে জাচ্ছি) ।

.

.

 ভাই কাজ পাচ্চিনা কি করবো ?

অনেকে এই প্রশ্ন করে থাকেন বেশি, আমি বলব কিছু দিন সময় নিয়ে গিগ ঘাটাঘাটি করেন কোন কেটাগরির গিগ কম, সেগুলার গিগ করতে পারেন, সুন্দর মত টাইটেল+ট্যাগ+ডিসক্রিপ্সন লিখে দেন, একটিভ থাকেন, বায়ার রিকুয়েস্ট সেন্ড করেন, তাইলে ইনশাআল্লাহ কাজ পাওয়া শুরু করবেন, ধৈর্য ধরতে হবে আর কষ্ট করতে হবে

.

যখন কাজ কম থাকে বা থাকেনা তখন কি করবো?

অনেকে আছে ফাইভারে কিছু গিগ করল , ধরেন ফ্লায়ার, ব্রুসিয়ার, বা বিজনেস কার্ড, কাজ পাওয়া শুরু করলে এরা এটা নিয়েই পরে থাকে, ভাবে কাজ ত পাচ্ছি, কয়দিন পর কাজ না থাকলে প্যারা খায়, ফ্রি সময়ে স্কিল ও বারায় না, ভাই অর্ডার পাচ্ছেন এটা সাময়িক, কখন গিগ ডাউন হয়ে যাবে কেউ জানেনা, অনেক সময় কারন ছাড়া ও গিগ ডাউন হয়ে যায়, সো কাজ কম থাকলে বা ফ্রি সময়ে স্কিল বারান, এগুলাই যথেষ্ট না, অনেক দূর জেতে হবে, ধরেন আপনি ফ্লায়ার ব্রুসিয়ার নিয়া কাজ করেন, এগুলাই যথেষ্ট না, পানি পাশাপাশি adobe indesign শিখেন, ম্যাগাজিন, বুকলেট বা মাল্টিপেইজ ব্রুসিয়ার গুলা মেক্সিমাম adobe indesign হয় বা এটা দিয়ে কাজ করে সেই মজা, ফাইল সাইজ ও কম হবে 

নোটঃ যে জেই ক্যাটাগরিতে কাজ করেন ফ্রি সময় গুলাতে স্কিল বারান, শেখার অনেক কিছু আছে ।

.

 পেমেন্ট মেথড

পেমেন্ট মেথড হিসেবে Payoneer আপনার লাগবে, আপনার যদি পাসপোর্ট বা NID না থাকে তাহলে আপনি আপনার বাবা, মা, ভাই, বোন বা রিলেটিভ যে আছে তার নামে Payoneer অ্যাকাউন্ট করে পেমেন্ট নিতে পারবেন , সমস্যা নাই

নোটঃ অনেকে Paypal এ পেমেন্ট নেয়,অনেকে অনেক ভাবে ।

বাংলাদেশ থেকে পেপাল অ্যাকাউন্ট করে ফাইভার থেকে পেমেন্ট নেয় (যেহেতু আমাদের দেশে পেপাল লিগ্যাল না তাই ওটা নিয়ে আমি কিছু বল্লাম না)

.

 ২৪ ঘণ্ট অনলাইন/একটিভ থাকা

২৪ ঘণ্টা অনলাইনে থাকবেন, যতক্ষণ পিসিতে থাকবেন মোবাইল থেকে ফাইভার অফ করে নিবেন, ঘুমাইতে গেলেন, মোবাইলে অন রাখলেন,বাসার বাইরে কোথাও গেলেন মোবাইলে ফাইভার অন রাখলেন (২৪ ঘণ্টা একটিভ থাকলে ভাল তবে আপনি যতটুকু পারেন একটিভ থাকার চেষ্টা করেন)

.

আমি কি মোবাইলে অ্যান্ড পিসিতে এক ই সাথে ফাইভার অন রাখতে পারবো ? কোন সমস্যা হবে?

উত্তরঃ জি ! আপনি মোবাইলে অ্যান্ড পিসিতে এক সাথে অন রাখতে পারবেন + ব্রাউজ ও করতে পারবেন, কোন সমস্যা হবেনা।

.

 অ্যাকাউন্ট কার নামে ? NID/Passport আছে ?

ফাইভার ভেরিফিকেশন চাইলে আপনাকে ১৪ দিন সময় দিবে, ১৪ দিনের মধ্যে আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন করতে পারবেন

আগে ফাইভারে কোন ভেরিফিকেশন চাইতো না, অনেকে বিভিন্ন পিসি দিয়ে নিজের নামের হাল্কা চেইঞ্জ করে ২-৩টা অ্যাকাউন্ট করে ইউজ করত, ফাইভারে এখন আপনার ফটো ভেরিফিকেশন চাইবে, আপনার NID/Passport ভেরিফিকেশন চাইবে, যাদের NID/passport আছে তাদের তো প্রব্লেম নাই, যদি আপনার NID/passport না থাকে তাহলে আপনি কিভাবে ভেরিফাই করবেন ? আর আপনার বয়স যদি ১৮ না হয়ে থাকে তাহলে ত আপনি NID করতে পাবেন্না, তাহলে ?

.

চালাকি উপায়ঃ আপনি আপনার নামে অ্যাকাউন্ট করলেন, কাজ ও করতেছেন, হঠাৎ ফাইভার আপনার ভেরিফাই চাইলো, আপনার নিজের NID/passport নাই, কোন উপায় না পেয়ে আপনি প্রোফাইলে গিয়ে আপনার নাম পরিবর্তন করে আপনার বাবা/মা/ভাই/বোনের নাম দিয়ে দিলেন, এখন আপনি ভেরিফিকেসন করতে পারবেন ।

এভাবে ভেরিফাই গত ১ মাস আগে ও করা যেতো, আমি নিজে করে দিছি এক ছোট ভাইয়ের

কিছুদিন আগে এক ছোট ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে ভেরিফাই চাইছে, সে যখন তার নিজের নাম পরিবর্তন করে তার বড় ভাইয়ের নাম দিতে চাইলো তখন আর নাম পরিবর্তন হচ্ছেনা, পরবর্তীতে অনেকবার চেষ্টা করাহ হইছে কিন্তু নাম চেইঞ্জ হয়নি, তারপর অ্যাকাউন্ট টা বাদ হয়ে গেলো

নোটঃ অন্য কারো এইসব হইছে কিনা জানা নাই, আমার ও আর চেক করার অয়ে নেই, এটা ত আর নিজের কাছে না যে ভেরিফিকেশন চাইলে নাম চেইঞ্জ হয় কিনা চেক করা যাবে 😊)

.

একটা কাহিনীঃ এক ছোট ভাই কাজ করছিলো, কাজ ও পাচ্ছিলো, হঠাৎ তার ভেরিফিকেসন চাইলো, সময় ১৪ দিন, একটা মজার ব্যাপার হলো সে পাসপোর্ট করতে দেয়ার ৩দিন পর তার ভেরিফিকেশন চাইলো, আমাদের দেশে ত ২২ দিনে দিবে বলে পাসপোর্ট কিন্তু ১ মাস লেগে যায় রেগুলার সময়, ১৪ দিন ফাইভারের ভেরিফিকেসন টাইম আর পাসপোর্ট পেতে প্রায় ৩০ দিন

নোটঃ যদি আপনি ১৪ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট/ন্যাশনাল আইডী(NID) না দেখাতে পারেন, সাপোর্টে কথা বলতে পারেন, দেখেন কি বলে উনারে, আমি বলিনি তাই জানিনা

 

সঠিক উপায়ঃ আপনার NID নাই আপনি একটা পাসপোর্ট করে নেন, ফাইভারে/ আপওয়ার্ক এ কাজ করার আগেই করে নেন, পাসপোর্ট থাকলে লস নাই, কখন না কখন ভেরিফিকেসন চায় আর আপনি কিছু না দিতে পারলে আপনার অ্যাকাউন্টটাই না চলে যায়, মনে রাখবেন লাইফে কোন প্যারা নেয়া যাবেনা 😊

 

নোটঃ আমি আমার মত করে কাজ করি, তাই এই পোষ্টে আমার মত করে সব লিখে দিলাম জেন সবার হেল্প হয়, লুকানোর কিছু নেই, আমি চাই সবাই ভাল থাকুক সবাই ভাল কিছু করুক, জা জা বলেছি সব এমন ই, ফাইভারে কোণ স্পেসাল টিপস বা সিক্রেট কিছুই নাই, ফাইভার কার গিগ কখন বুম করে অর্ডার এর বন্যা বসাবে কেউ যাবেনা, যখন অর্ডার আসে ক্লান্ত হয়ে জাবেন কাজ করে, এটাই ফাইভার(আমি আমার মত করে বললাম) ।

Creadit : Rakib Kowshar

 

Leave a Reply